৯৬ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন!

৯৬ বছর বয়সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছেন ইতালির নাগরিক গুইসেপ্পে পাতের্নো। সম্প্রতি দেশটির পালের্মো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

জীবনে তার স্বপ্ন ছিলো গ্রাজুয়েট হওয়ার। কিন্তু অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে সেটির আগেই চাকরি শুরু করতে হয়েছিল তাকে। ফলে সময়মতো গ্রাজুয়েশন আর করে ওঠা হয়নি। কিন্তু জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে প্রমাণ করলেন, মানুষ চাইলেই পারে।

নিজের বিরল কীর্তি সম্পর্কে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি ভেবে নিয়েছিলাম আমাকে গ্র্যাজুয়েট হতেই হবে। শিক্ষা একমাত্র বিষয়, যা মৃত্যুতেও আমার সঙ্গেই যাবে।’

পাতের্নো চাকরি করতেন ইতালির রেল ডিপার্টমেন্টে। জীবনের নানা চাপে পড়ে গ্র্যাজুয়েশন করা হয়নি। মাঝ পথে ছাড়তে হয়েছিল পড়াশোনা।

কিন্তু সারাজীবন বই নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৯০ বছর বয়সে শুরু করেন ডিগ্রির পড়াশোনা। ২০১৭ সালে কলেজে ভর্তি হন।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘আমি লজ্জা বা ভয় পাইনি। ক্লাসে ২০ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের সঙ্গে আমি অবশ্যই বেমানান। কিন্তু আমার ছোট্ট সহপাঠীরা কখনো আমায় বুঝতে দেয়নি যে, আমি বেমানান। তাই আজ আমি স্বপ্ন সত্যি করতে পেরেছি।’

পালের্মো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস ও দর্শন নিয়ে পড়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন পাতের্নো। তার ২০ বছর বয়সী সহপাঠীরা তার এই সাফল্যে গর্ব বোধ করছেন। সকলে স্টেজে উঠে করতালি দিয়ে অভিবাদন জানান ৯৬ বছর বয়সী স্নাতককে।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘আমি লজ্জা বা ভয় পাইনি। ক্লাসে ২০ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের সঙ্গে আমি অবশ্যই বেমানান। কিন্তু আমার ছোট্ট সহপাঠীরা কখনো আমায় বুঝতে দেয়নি যে, আমি বেমানান। তাই আজ আমি স্বপ্ন সত্যি করতে পেরেছি।’

Add comment

Khaled Kazim

Avatar photo

আমি, মোহাম্মদ খালেদ কাজিম, একজন স্বপ্নদর্শী উদ্যোক্তা হিসেবে বিশ্বাস করি যে প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের জীবনকে উন্নত করা এবং সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেওয়া। আমার পথচলা শুরু হয়েছিল মানুষের সম্ভাবনাকে সঠিক পথে চালিত করার এক দৃঢ় প্রত্যয় থেকে, যা আজ আমাকে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগায়। আমার এই যাত্রার বিস্তারিত বিবরণ জানতে ভিজিট করুন আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট: www.khaledkazim.com।
​আমার উদ্যোক্তা জীবনের ভিত্তি গড়ে উঠেছে শিক্ষাক্ষেত্রে। আমি বাংলাদেশের দুটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—ওয়েস্টপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এবং আল এহসান একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছি। আমার বিশ্বাস, সঠিক শিক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কেবল একটি মজবুত ভিত্তিই তৈরি করে না, বরং তাদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।
​২০০৭ সালে বাংলাদেশের সিলেট থেকে গ্লোবাল ইমিগ্রেশন নামে আমার প্রথম বাণিজ্যিক উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা বর্তমানে Kkr Education & Tour Service (KKRETS) নামে পরিচিত। এই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য ছিল মানুষকে তাদের বৈশ্বিক স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করা—শিক্ষা, ভ্রমণ এবং অভিবাসনের মাধ্যমে। বর্তমানে KKRETS বাংলাদেশ, ফ্রান্স এবং ইউকে-তে নিবন্ধিত হয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে চলেছে।
​এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, ২০১৯ সালে জন্ম নেয় আমার দ্বিতীয় প্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, Gothi Technologies। Kkr-এর মাধ্যমে মানুষকে পৃথিবীর সাথে সংযুক্ত করার পর আমি উপলব্ধি করি, প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবসাকেও একইভাবে বৈশ্বিক এবং শক্তিশালী করা সম্ভব। Gothi Technologies-এর লক্ষ্য হলো অত্যাধুনিক সিস্টেম কনসাল্টিং এবং প্রযুক্তিগত সমাধান দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও নিরাপদ করতে সহায়তা করা। এই প্রতিষ্ঠানটিও বর্তমানে বাংলাদেশ, ফ্রান্স এবং ইউকে-তে নিবন্ধিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
​আমার উদ্যোগগুলো শুধু পেশাদার জগতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানবিক সংযোগ এবং কমিউনিটি গঠনেও বিস্তৃত। প্যারিসের অদূরে পঁতাঁ (Pantin)-তে আমার একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে, যার নাম ishtikutum। এর ঠিকানা হলো: 14 rue berthier, 93500 Pantin, France। এটি কেবল একটি রেস্টুরেন্ট নয়, বরং এমন একটি কেন্দ্র যেখানে মানুষ একসাথে হয়ে খাদ্য, সংস্কৃতি এবং আনন্দ ভাগ করে নেয়।
​আমার প্রতিটি উদ্যোগ—শিক্ষা, ভ্রমণ, প্রযুক্তি এবং রেস্টুরেন্ট—ভিন্ন ভিন্ন হলেও, তারা একটি সাধারণ সুতোয় সংযুক্ত: স্বপ্ন এবং সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। আমি এই বৈচিত্র্যময় উদ্যোগগুলোর নেতৃত্ব দিতে পেরে গর্বিত এবং ভবিষ্যতেও মানুষের জীবন ও কমিউনিটিকে আরও উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
​আমার পেশাদার যাত্রা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এবং আমার সাথে যুক্ত থাকতে আমার LinkedIn প্রোফাইলটি ফলো করার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
#Mohammed-Khaled-Kazim #Gothi-Technologies #KKR

Join With Me